নাবিক জীবনটাকে অনেকে চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসাবে জানেন। । এবং সেই সাথে ভাল বেতন এবং দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াবার আনন্দ। কিন্তু এই আনন্দের সাথে বেদনা, হতাশা এবং নিঃসঙ্গতার অংশ টা আমরা কেউ জানি না। অবশ্য বলতে পারেন আমরা অন্য কাউকে বুঝতে দেই না। অনেক সময় এমন ও হয়েছে। প্রচণ্ড ঝড়ের সময় ও ফোন করে বলি “আমি ভাল আছি” । আজ পর্যন্ত যতবার আমি সোমালিয়ার বিপদজনক এলাকা পারি দিয়েছি আমার ছোট ভাই ছাড়া কাউকে বলি নি।

আমাদের মেরিনারদের একটা অনলাইন পত্রিকায় প্রাকাশিত একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের স্ত্রীর লেখা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। লেখাটা উনি তার স্বামী যখন সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে আটক ছিলেন তখন তার ডাইরিতে লিখেছিলেন। পরে তিনি সবাইর সাথে শেয়ার করার জন্য পত্রিকায় দিয়েছিলেন।

“আমি চলছি তোমার দিগন্তে; তোমার পথেই আমার হেঁটে যাওয়া……………………..”
প্রিয় মাহির,
নিজেকে নিয়ে খুব বড়াই করা হোত আমার। সবাইকে বলে বেড়াতাম বিয়ের আগে প্রেম-টেম করা হবেনা। তারপর চলছিল দিনগুলো ঠিক আমি যেভাবে চেয়েছিলাম।। আনন্ত আর দৃষ্টির চুকে যাওয়া প্রেম দেখে অট্ট হাসি দিয়ে রুমাকে সাবধান করতে খুব ভাল লাগতো তখনো। বাংলা অগ্রায়হন মাসের এক ভেজা সন্ধ্যা। সারা দিন বৃষ্টি ছিল। তবু শীতের প্রস্তুতির চিহ্ন স্পষ্ট হয়েছে প্রকৃতির সবখানে। আমি বারান্দায় বসে বাইরের পৃথিবীর দিকে চেয়ে অপলক আছি। আমার থাকার ঘরটা দক্ষিনমুখী। আমি কবি নই। ছন্দ মেলানো আমার কাছে অসম্ভব ব্যাপার। সাহিত্য আমার কাছে চিরদিন দুর্বোধ্য। তবু আমি পড়ি। বিশেষ করে রবি ঠাকুরের বইয়ের সংগ্রহ আমার কাছে খুব বেশি। আমার হাতে সেদিন কবি গুরুর-ই একখানা বই ছিল। কি পড়ছো? অতি পরিচিত কন্ঠ শুনে বুকের ভেতর একটু কেমন যেন লেগে উঠল। পরে আবার মনে হলো প্রশ্নকর্তার জিজ্ঞাসা ত্রুটিপূর্ন। কারন হাতে বই থাকলেও স্পষ্ট বোঝা যায় আমার দৃষ্টি জানালার বাইরে। আত্ম-বিশ্বাসের সাথে তার ভুল ভাঙ্গাতে যেয়ে হোঁচট খেলাম। চেনা চেনা মুখ। ছেলেটা যেন কে…. মনে করার চেষ্টা করছিলাম। আমার মা তার পেছনে এসে বলল, চিনতে পারছিস না? আরে এতো তোর মাহির ভাইয়া। যখন ছোট ছিলি ওকে কত মেরেছিস মনে আছে? এখন সে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। জাহাজ চালিয়ে এদেশ ওদেশ যায়।
আমার মন ছুটে গেল স্মৃতির রাজ্যে। ফুফাতো ভাই মাহির বয়সে আমার বড়। তবু তার তোয়াক্বা না করে আমি প্রায় তার গায়ে হাত তুলতাম। ভয়ে সে আমাদের বাড়ি আসা পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিল। এরপর অনেক বছর দেখা হয়নি। সেদিনের সেই বেকুবমুখো ছেলেটা এখন কত বড় হয়ে গেছে! আমার বিস্ময় কাটেনা। ছোট বেলায় আমার হাতে মারধর খাওয়া ছেলেটা এখন ব্যাপক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন নৌ- প্রকৌশলী কর্মকর্তা! আমার হাসিও পাচ্ছিল। তবু এখন সে আমার অপরিচিত। আমি নিজেকে সহজ করতে পারছিলামনা। এদিকে মা চলে গেল তার কাজে। আমি বইয়ের দিকে তাকিয়ে আছি। কি বলবো মাথায় আসছেনা। আমাকে সহজ করার দায়িত্বটা যেন মাহির(তুমি) নিয়ে নিল। খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, কি পড়ছিলে তুমি? রবীন্দ্রনাথ আমারো ভালো লাগে। আমি এখনো সময় পেলে পড়ি, আমারি মাথা নত করে দাওহে তোমার চরন ধুলার তলে, সকলি অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে……। আমি বুঝতে পারলাম, রবী ঠাকুরের সৃষ্টি নিয়ে তার পড়া-শোনা কম নয়। অনেক লম্বা কবিতা পুরোপুরি মুখস্থ। এ যুগের ছেলে মাহির। চাকুরী আর মেরিনের যন্ত্রপাতি ও নিয়ম কানুন নিয়ে অধ্যয়ন করার পড় যেটুকু সময় সে পায় তা কবিতা পড়ে নষ্ট করার কথা না। তার মত অনেকেইতো ফেইসবুক টেইসবুক নিয়ে অবসর সময়ের ব্যবচ্ছেদ করে। তাহলে সে কি কিছুটা ভিন্ন? কথা বলার পর বুঝলাম, না সেও এ যুগের ছেলেদের মত ভাবে, বুঝে তবে তার মতাদর্শ একটু আলাদা। আলোচনা আর অভিজ্ঞতার বর্ণায় মাহির দারুন ডানপিঠে। অন্যের প্রতি সম্মান রেখে নিজের চিন্তা ও চেতনার উপস্থাপন কিভাবে করতে হয় এ শিক্ষা যেন তার রক্তে মিশে আছে। আমি ঠিক মিলাতে পারছিলাম না। এ কি সেই বোকা-সোকা মাহির! আজ একজন ব্যক্তিত্ববান সুপুরুষ।
বিশ্বাস কর মাহির, সেদিন আমার আক্ষেপ হচ্ছিল খুব। ইস! যদি মাহির হয়ে জন্ম নিতাম। আক্ষেপ মানে ঠিক আমার নিজের কোন দূর্বলতা নয়। প্রকৃতির নৈপূণ্য দেখে এক অনন্ত জিজ্ঞাসা। স্রষ্টা সৃষ্টির মাঝে কখনো কখনো এত নিখুঁত পরিবর্তন নিয়ে আসেন আমরা নিজেকে ঠিক আর ধরে রাখতে পারিনা। নিজের অজান্তেই নিজেকে অর্পন করতে হয় কারো কাছে। আমার মনের ভেতর যতই ঝড় বইতে থাকুক না কেন স্বভাবসুলভ কঠিন আমি নিজেকে হঠাৎ করে বদলে নেবো তা কি করে হয়? আমার এখনো মনে পড়ে সেবার তুমি কয়েক দিন আমাদের সাথে কাটিয়েছ ঠিক তবু আমি নিজেকে সযত্নে তোমার বৃত্তের বাইরে রেখে দিলাম। আমার প্রিয় কেউ আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে একদিন মন খারাপ করে চলে গেছ তুমি। এরপর সময় তোমাকে নিয়ে গেল আমাদের সীমা রেখার অনেক বাইরে। বহুদূরে। বিশ্বভ্রমন কর তুমি। তোমাকে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে সারা দুনিয়ার বন্দরগুলো চষে বেড়াতে হয়। ওসব ভেবে মাঝে মাঝে ভাল লাগছিল। কেন? আমার কাছে উত্তর ছিলনা। তখন তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক তৈরী হয়নি তবু বুঝলাম আমি তোমাকে মিস করছি। জীবন হয়ত এমনই হয়। আমি তোমাকে অনুভব করি তবু আমি তোমার খবর নিতে যাবো কেন? তুমি আমার কে? এরকম কতত প্রশ্ন মনে আসত। এর মাঝে একদিন তুমি ফোন করে বসেছ। এরপর কত দিন…. আমার ভাল লাগতোনা। কে তুমি? আমাকে ফোন করবে কেন? তখন আমি জানতাম না ব্যয়বহুল স্যাটেলাইট ফোন কলের বিল কত হয়। তুমি ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করেছ স্যাটেলাইট ফোনের রিসিভার কানে রেখে শুধু আমি কেমন আছি তা জানার জন্য। আমার প্রিয় কেউ আছে কিনা। এ ভূতুড়ে প্রশ্নের কি উত্তর দিতে পারতাম আমি? আসলে আমারতো এমন কেউ ছিলনা। তবু আমার এটা বলতে অস্বস্তি লাগত। তাই কিছুই বলতাম না। অসম্ভব ধৈর্যশীল ছেলে তুমি মাঝে মাঝে বলতে, রীতা, আমি কিন্তু আটলান্টিকে ঝাপ দেবো। তুমি চুপ করে থাকছ কেনো?

একদিন আমি হাঁটছিলাম এক ধূসর বিবর্ণ পথে। একা একা পথ চলছি। হঠাৎ মনে হল কেউ একজন মিশে গেছে আমার ইচ্ছা, চেতনা, ভাল লাগা আর ভালবাসায়। অনেকদিন পর অনুভব করলাম আমি আর আমার একার নই। আমি কারো অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছি। খুব প্রত্যয়ী হয়ে নিজের মনের পাঠোদ্ধারও করে ফেললাম। হ্যাঁ..আমি, আমি মাহিরের হয়ে গেছি। নিজের ঐ সমর্পনকে সেদিন আর পরাজয় মনে হয়নি। অসাধারন এক ভাললাগার চাদরে যেন আচ্ছাদিত হলাম। মানলাম, আমি চলছি তোমার দিগন্তে; তোমার পথেই আমার হেঁটে যাওয়া। মাহির তোমার আবেশে আবিষ্ট আমি তখন পাগলপ্রায়। তোমাকে ছাড়া কিচ্ছু ভাবতে পারতাম না। এরপর থেকে তুমি ফোন না দিলে মনে হোত আমার চেয়ে দুঃখী পৃথিবীতে আর কেউ নেই। নিজের কষ্ট কখনো তোমার কাছে লুকাতাম না। প্রকাশ করতাম ভিন্নভাবে। জানি আমার বাড়াবাড়ি রকমের আবেগ মাঝে মাঝে তোমার প্রতি দুর্ব্যবহারের মত হয়ে যেত। অনেক ধৈর্য তোমার। তাই উহ্ শব্দটি পর্যন্ত করোনি। আমিওবা আর কি করতে পারতাম। তোমাকে ছাড়াতো আমার আর কিচ্ছু ভাল লাগেনা।

তুমি জাহাজে। সেবার একদম ইউরোপ চলে গেছ। তিন মাস পর ফিরবে এশিয়াতে। আমি দিন গুনে যায়।এক একটা দিন আমার কাছে বছরের মত লাগে। আর দুই মাস তের দিন পাঁচ ঘন্টা তিরিশ মিনিট বাকি। আমি অস্থির। প্রতীক্ষার প্রহর যেন পিষে ফেলছিলে আমাকে। আমি আর পারছিলাম না। ফোনে তোমাকে বললাম, বাবু, তুমি যদি আর দেরি কর আমাকে জীবীত পাবেনা। আমি আত্মহত্যা করে বসবো। আমার উম্মাদের মত কথা শুনে একেবারে নির্বাক হয়ে গিয়েছিলে তুমি। একটু পরে আবার বলেছ, আমি তোমার কাছে আসছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আসছি।
এর কয়েকদিন পর এক সন্ধ্যায় আমি মার ঘরে শুয়েছিলাম বিকাল থেকে। কিচ্ছু ভাল লাগছিলনা। মা এসে বলল, রীতু দেখতো আমাদের মাহিরের মত কে আসছে। ও না দেশের বাইরে। আমি দেখার প্রয়োজন মনে করলাম না। মার বয়স হচ্ছে। ভুল হতে পারে। তাছাড়া তিন মাসতো তখনো পূর্ন হয়নি। আমি চোখ বন্ধ করে ভাবছি তোমার ফিরতে আর কত দিন কত ঘন্টা বাকি।
হঠাৎ তোমার কণ্ঠ শুনে চমকে উঠলাম। তুমি আমার পাশে বসে বলছ, রীতু, তুমি একটা মেয়ে! তোমার জন্য চাকরী ছেড়ে দিলাম।
আমি এবার উপদেশ দিতে শুরু করলাম, মাহির, নিজের এত বড় ক্ষতি তুমি কেন করেছ? আমার জন্য তোমার চাকুরী ছাড়া ঠিক হয়নি।
তুমি হাসতে হাসতে বলেছ, আগে তুমি এরপর চাকরী। তাছাড়া মেরিনারদের চাকরী নিয়ে ভাবতে হয়না। একটা চাকরী ছাড়লে এরকম আরো অনেকটা রেডি থাকে। সে যাইহোক, আমার কাছে এ চাকরীর চেয়ে তুমি বেশি গুরুত্বপূর্ন।
তোমার কথা শুনে সেদিন নিজেকে অসম্ভব ভাগ্যবতী মনে হলো। হাসি পাচ্ছিল এমন লক্ষী ছেলেটার গায়ে আমি ছোটবেলায় হাত তুলেছিলাম! একদম উচিত হয়নি।

এরপর কতগুলো দিন। তুমি, আমি আর আমাদের দুটো পরিবার। কি অসাধারন সম্পর্ক! সবার ইচ্ছা আমাদের বিয়ের পীড়িতে বসতে হবে। আর আমার ইচ্ছা ছিল, পড়াশুনা শেষ হোক তারপর বিয়ে। তোমার অকুন্ঠ সমর্থন আমার দিকে। আমি অনুপ্রানিত। জীবনের নতুন ছন্দে যেন হাওয়ায় ভেসে চলেছি। আমার চেয়ে সুখী যেন দুনিয়ায় আর কেউ নেই।

প্রায় দেড় মাস আগের কথা। আমার ছোট্ট চাচাতো বোনের সাথে দুষ্টোমি করছিলাম আমি। আমাদের বসার ঘরে এসেছেন তোমার বাবা। আমার ফুফা বলে কথা। আমি কি আর কেয়ার করি? তবু মার পীড়াপীড়িতে তাকে সালাম করে এলাম। আমার ছোট বোন আমাকে শাড়ি পড়া নিয়ে ঠাট্টা করছিল। তোমার বাবা চলে যাবার আগে আমার মাথায় হাত রেখে বললেন, রীতা, মাগো মাহিরের জাহাজ মনে হয় হাইজ্যাক হয়েছে। তুমি চিন্তা কোরনা। আজকাল এরকম হয়। ইনশাআল্লাহ ছাড়া পেয়ে যাবে।

আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার অবস্থা। তোমার নম্বরে কল করলাম। পাওয়ার কথা না তবুও। মেইল পাঠালাম। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিলাম। সবাই একই কথা বলল।
অপেক্ষার বিকল্প নেই। জলদস্যুরা একসময় যোগাযোগ করে মুক্তিপন চাইবে, সবাইকে বাসায় কথা বলার সুযোগ করে দেবে ইত্যাদি। এরপর থেকে আমি অপেক্ষা করছি। আমার সময় কাটেনা। আমার একটা দিন যেন একটা বছর। সময়তো পার হচ্ছেনা মাহির। আমি অপেক্ষা করছি তুমি কখন এসে বলবে, রীতু, তুমি একটা মেয়ে বটে! তোমার জন্য চাকরী ছেড়ে দিলাম।
আমি হয়ত বলবো, এ কেমন চাকরী করছ তুমি? আমার কাছ থেকে শুধু দূরে থাকতে হয়। এ চাকরী না করলে কি নয়?
আর তখন তুমি হাসতে হাসতে বলবে, আরে…মেরিনারদের জন্য দূরত্ব কোন ব্যাপারইনা। দেখছোনা তোমাকে সারা দুনিয়া থেকে ফোন করে বেড়াচ্ছি। সব দেশ-মহাদেশ, সাগর-মহা সাগর ঘিরেইতো মেরিনারদের বাড়ি। তাছাড়া মেরিনারদের সবাই যদি চাকরী ছেড়ে দেয় তাহলে জাহাজের প্রপেলারতো ঘুরবেনা ম্যাডাম। আর জাহাজের প্রপেলার না ঘুরলে জাহাজে বাণিজ্য হবেনা; সারা দুনিয়াতো অচল হয়ে যাবে সোনা।
আমার অবুঝ মন। তার যুক্তি, সারা দুনিয়ার দায়িত্ব তোমাকে কে দিয়েছে বাপু? তুমি ওসবে না গেলে কি নয়? মার্চেন্ট জাহাজ চালাকনা অন্যরা। তুমি শুধু আমার কাছাকাছি থাকো।
এরপর তোমার আগের যুক্তিগুলো তুমি আবার দেবে, দূরে থাকলে ভালোবাসা বাড়ে। কাছে যাবার জন্য মন পাগল হয়, অস্থির হয়। এরপর কাছে এলে মনে হয় স্বর্গ বুঝি পৃথিবীতে নেমে এসেছে। এরকম আরো কত অদ্ভুত যুক্তি।

আমার কাছে এক সময় তোমার সব যুক্তি আগের মতই অকাট্য হয়ে ঠেকবে। আমি আর দ্বিমত করতে পারবোনা। আমার সান্ত্বনা তোমাকে বললেতো তুমি যখন তখন ছুটে আসো, আসতে পার। তুমি আমাকে প্রতি মূহুর্তে আমাকে ফোন কর; বুঝতে দাওনা তুমি আমার কাছ থেকে দূরে কোথাও আছো।
আমার প্রিয় মাহির, আজ কতগুলো দিন তুমি আমাকে ফোন দিচ্ছনা। কেমন যাচ্ছে তোমার সময়? কেমন আছো তুমি? আমি ভালো নেই। আমার কিচ্ছু ভালো লাগেনা। আমি আর পারছিনা। তুমি ফিরে আসো।

ইতি-
তোমারই রীতা

সোমালিয়ার জলদস্যুদের নিয়ে একটা সিরিজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু অলসতার কারনে আর লেখা হয়ে উঠে নি। ভাবছি আবার কিছু লিখব যদি অলসতা অনুমতি দেয়।

Advertisements